কান্নার আকুতি

কবিতা
কান্নার আকুতি || কবিতা

স্বপ্নময় রাজ্যের ভিতর বেদনাসিক্ত কান্নার প্রবেশ।
বেদনার গহীন তলে নিমজ্জিত কান্নার স্বপ্ন মিথ্যে হয়ে যাচ্ছে।
কান্না তার স্বপ্নকে খুব ভালোবাসে,
কিন্তু তার স্বপ্ন যে মিথ্যে হয়ে যাচ্ছে!

মেঘাচ্ছন্ন আকাশে বৃষ্টির পর হিমশীতল বাতাস,
তাতেও কেমন বিষের শুষ্ক গন্ধ।
এই কষ্ট আমি যে আর সইতে পারছি না।

স্বপ্ন তুমি কান্নাকে গলা টিপে হত্যা কর,
সে যেন আর কখনও তোমাকে কল্পনা না কর।
তুমি শুধু থাকো সুখের হয়।
তুমি তাকে হত্যা কর,হত্যা কর।
কারন সে যে কান্না ছাড়া কিছু্ই নয়।

কবিতা প্রসঙ্গে

এখানে «কান্না» ও «স্বপ্ন» দুটি চরিত্রের মতো হাজির। কান্না তার স্বপ্নকে ভালোবাসে, অথচ সেই স্বপ্ন মিথ্যে হয়ে যাচ্ছে — এই টানাপোড়েনই কবিতার কেন্দ্র। বৃষ্টির পরের হিমেল বাতাসেও «বিষের শুষ্ক গন্ধ» পাওয়ার ছবিটি দেখায়, কষ্ট কীভাবে চারপাশের স্বাভাবিক সৌন্দর্যকেও বদলে দেয়। শেষে কথক স্বপ্নকে অনুরোধ করেন কান্নাকে মেরে ফেলতে, যাতে স্বপ্ন অন্তত সুখে থাকে — নিজের বেদনা মুছে দিয়ে প্রিয় কিছুকে বাঁচিয়ে রাখার এই আকুতি থেকেই শিরোনাম।