আমার স্বাধীনতা
আমার স্বাধীনতা
কালো হাতে বস্ত্র হরণে মাগো আমার বোবা;
রাত্রি পোহালেও ফেরেনি আমার রাগী বাবা।
বায়োনেটে খুঁচিয়ে চিঁড়ে দিল পুতুলের কায়া,
চোখ বেঁধে যে গেল ফিরেনি কেনো ভাইয়া?
রাত্রি পোহালেও ফেরেনি আমার রাগী বাবা।
বায়োনেটে খুঁচিয়ে চিঁড়ে দিল পুতুলের কায়া,
চোখ বেঁধে যে গেল ফিরেনি কেনো ভাইয়া?
গোলার বৃষ্টি, রক্তে লাল দৃষ্টি।
কান্নার রোল, চিৎকারে গোল।
কান্নার রোল, চিৎকারে গোল।
জারজদের উল্লাসে নির্লজ্জ শয়তান হাসে।
মসজিদে মুয়াজিনের আযানের ধ্বনি ভাসে।
মসজিদে মুয়াজিনের আযানের ধ্বনি ভাসে।
নতুন আলোয় সূর্য, রচে রণতূর্য।
অনুভবে কবে, বিশ্বাসে যবে ?
রবে তুমি আমার স্বাধীনতা ।
অনুভবে কবে, বিশ্বাসে যবে ?
রবে তুমি আমার স্বাধীনতা ।
-আরিফ
২৬.০৩.২০১৯
২৬.০৩.২০১৯
কবিতা প্রসঙ্গে
২০১৯ সালের স্বাধীনতা দিবসে লেখা এই কবিতা ১৯৭১-কে দেখে একটি শিশুর চোখ দিয়ে। মা বোবা হয়ে গেছেন, রাগী বাবা রাত পোহালেও ফেরেননি, চোখ বেঁধে নিয়ে যাওয়া ভাইয়াও ফেরেনি, এমনকি পুতুলটিও বেয়নেটে ছিন্নভিন্ন। ছোট ছোট পঙ্ক্তি ও অন্ত্যমিল (বৃষ্টি–দৃষ্টি, রোল–গোল) যুদ্ধের দ্রুত, ভাঙা ছন্দ তৈরি করে। শেষ স্তবকে নতুন সূর্যের আলো আসে, কিন্তু কবি প্রশ্ন রেখে যান — স্বাধীনতা কবে অনুভবে ও বিশ্বাসে সত্যিই «আমার» হয়ে উঠবে।
